রাজবাড়ীতে শত কষ্ট করে শত পরিশ্রম করে কৃষক পিয়াজ ফলাই, অথচ সেই পিয়াজ যখন বিক্রয় করতে হাটে যায়, তখন কৃষক ন্যায্য মজুরী বা দাম পায় পাচ্ছে না। রাজবাড়ী পিয়াজের হাটে দেখা যাচ্ছে পাইকারি ব্যবসায়ী ন্যায্য মজুরি দিতে অনিহা প্রকাশ করছে। তাদের কথা হচ্ছে পরিবহন খরছ, পিয়াজের মজুদ, পিয়াজের কোল্ড স্টোরিজের খরচ বেশি, তাদের চাহিদা মত কোল্ড স্টোরিজ ব্যবস্থা নেই, তারা পিয়াজ ক্রয় করে তারাতারি বাজারজাত করতে না পারলে তাদের ব্যাপক আকারে ক্ষতি হয়।তাই তারা কৃষকদের ন্যায্য মুজরী বা দাম দিতে পাচ্ছেন না।অন্য দিকে কৃষক শত কষ্ট করে শত পরিশ্রম করে ন্যায্য মজুরি বা দাম পাচ্ছে না।কৃষক দাবি করছে তাদের পিয়াজ উৎপাদন করতে বীজ,সার কীটনাশক দাম অনেক বেশি, সময় মত সার তারা পায় না ফলে বেশি দাম দিয়ে বীজ, সার, কীটনাশক ক্রয় করতে হয়।তাছাড়া জমি চাষাবাদ শ্রমিকদের মজুরি অনেক বেশি। কৃষকের মতামত তারা প্রতি মন পিয়াজ উৎপাদন করতে ১০৫০- ১২০০ টাকা খরচ হয়ে যায়। যখন বাজারে বিক্রয় করতে পাইকারি বাজারে তখন বিক্রয় করতে হয় ৬০০- ৮০০টাকা ধরে। এজন্য অনেক কৃষক মনের কষ্টে নদীতে পিয়াজ ফেলে দিয়ে হতাশ হয়ে বসে আছে। এমন অবস্থা যদি চলমান থাকে এক সময় পিয়াজচাষী পাওয়া যাবে না। আসলে সরেজমিনে দেখা চিত্র তুলে ধরেছি।এটা আমার নিজস্ব প্রতিবেদক।