একটি পরিবারের বড় মেয়েকে ঘিরে তৈরি হয়েছে আবেগঘন এক ঘটনা। প্রতিদিনের মতো স্বাভাবিকভাবেই পরিবারের সঙ্গে সময় কাটাচ্ছিল মেয়েটি। হঠাৎ একদিন নানুর বাড়ি যাবে বলে বাড়ি থেকে বের হয় সে। কিন্তু এরপর ঘটে এমন কিছু, যা পুরো পরিবারকে চিন্তায় ফেলে দেয়।
মেয়েটির মা জানতেন না, তার সন্তানের মনে চলছিল অন্য এক চিন্তা। পরিবারের কাছে বিষয়টি ছিল একেবারেই অপ্রত্যাশিত। মেয়ে শুধু নানুর বাড়ি যাওয়ার কথা বলেছিল, তাই স্বাভাবিকভাবেই কেউ সন্দেহ করেনি। কিন্তু সময় পার হওয়ার পরও যখন সে ফিরে আসেনি, তখন পরিবারের মধ্যে শুরু হয় উৎকণ্ঠা।
মা বারবার মেয়ের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেন। আত্মীয়-স্বজন, পরিচিত মানুষসহ সম্ভাব্য সব জায়গায় খোঁজ নেওয়া শুরু হয়। একজন মায়ের জন্য সন্তানের কোনো খোঁজ না পাওয়ার কষ্ট কতটা গভীর, তা ভাষায় প্রকাশ করা কঠিন।
পরিবারের সদস্যরা জানান, মেয়েটি ছিল পরিবারের সবার আদরের। তার হঠাৎ এমন সিদ্ধান্ত সবাইকে অবাক করেছে। মেয়ের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বিগ্ন হয়ে পরিবারের পক্ষ থেকে বিভিন্নভাবে খোঁজ চালানো হয়।
এ ঘটনা আবারও মনে করিয়ে দেয়, বড় সন্তান হলেও তার মনের কথা বোঝা এবং তার সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রাখা খুবই জরুরি। অনেক সময় সন্তান নিজের সমস্যার কথা পরিবারকে বলতে পারে না। তাই বাবা-মায়ের উচিত নিয়মিত সন্তানের সঙ্গে কথা বলা এবং তার অনুভূতিগুলো বোঝার চেষ্টা করা।
বিশেষজ্ঞদের মতে, পরিবারের ভালোবাসা ও বিশ্বাসের পরিবেশ সন্তানদের আত্মবিশ্বাস বাড়ায়। সন্তান কোথায় যাচ্ছে, কার সঙ্গে মিশছে এবং তার জীবনে কোনো পরিবর্তন আসছে কি না—এসব বিষয়ে অভিভাবকদের সচেতন থাকা দরকার।
একটি পরিবারের সুখ অনেকটাই নির্ভর করে সদস্যদের পারস্পরিক বোঝাপড়ার ওপর। তাই সন্তানদের নিরাপত্তা ও ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে প্রত্যেক অভিভাবককে আরও যত্নবান হতে হবে।