সাতক্ষীরা শহরের পুলিশ লাইনের ঠিক সামনে একটি পাঁচতলা ভবনে বাসা ভাড়া নিয়ে নিজেকে ‘মেডিকেল কলেজের নার্স’ পরিচয় দিয়ে রমরমা অ/সামাজিক কর্মকাণ্ড চালানোর অভিযোগ উঠেছে নাছরিন আক্তার ওরফে শারমিন নামের এক নারীর বিরুদ্ধে! সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজের নার্সের পোশাক পরা ছবি নিজের হোয়াটসঅ্যাপ প্রোফাইলে ঝুলিয়ে সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত করে এই অনৈতিক সিন্ডিকেট চালাতেন তিনি।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, মাত্র ১৫ দিন আগে পুলিশ লাইনের সামনের ভবনে সাত হাজার টাকায় বাসা ভাড়া নিয়ে ব্যবসা শুরু করেন শারমিন। সেখানে দিনরাত অসাধু নারী-পুরুষের যাতায়াত দেখে স্থানীয়দের সন্দেহ হয়। গত মঙ্গলবার কয়েকজন সাংবাদিক ওই বাসায় সারপ্রাইজ হানা দিলে একাধিক নারী-পুরুষকে আ/পত্তিকর অবস্থায় পাওয়া যায়। ঘটনাস্থলে থাকা এক নারী স্বীকার করেন, মোটা অঙ্কের টাকার লোভ দেখিয়ে তাঁকে এই অ/নৈতিক কাজে নামানো হয়েছিল। ঘটনা ফাঁসের পর শারমিন ৩০ হাজার টাকার বিনিময়ে সাংবাদিকদের রফাদফার চেষ্টা করেন বলেও অভিযোগ উঠেছে!
অনুসন্ধানে সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ কর্তৃপক্ষ স্পষ্টভাবে জানিয়েছে, নাছরিন আক্তার ওরফে শারমিন নামে কোনো নার্স সেখানে কর্মরত নেই! ভুয়া পরিচয় দিয়ে এর আগেও রসুলপুর ও পলাশপোল এলাকায় বাসা ভাড়া নিয়ে একইভাবে দেহ ব্যবসা চালানোর অভিযোগ রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে। যদিও অভিযুক্ত শারমিন এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন, তবে সাতক্ষীরা সদর থানার ওসি মাসুদুর রহমান জানিয়েছেন—নকল পরিচয় ও অ/নৈতিক কর্মকাণ্ডের বিষয়টি নিয়ে তদন্ত সাপেক্ষে দ্রুত কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে!