গরিবের জন্য পাঙ্গাস মাছ ছিল সাশ্রয়ী, এখন সেই পাঙ্গাসও অনেকের নাগালের বাইরে!
এক সময় পাঙ্গাস মাছকে সাধারণ মানুষের, বিশেষ করে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের জন্য সবচেয়ে সাশ্রয়ী আমিষের উৎস হিসেবে ধরা হতো। বাজারে তুলনামূলক কম দামে পাওয়া যেত বলে অনেক পরিবার নিয়মিত খাবারের তালিকায় পাঙ্গাস মাছ রাখতেন। কিন্তু সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সেই চিত্র অনেকটাই বদলে গেছে।
বর্তমানে বাজারে পাঙ্গাস মাছের দামও আগের তুলনায় উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে। ফলে যে মাছ একসময় স্বল্প আয়ের মানুষের ভরসা ছিল, সেটিও এখন অনেক পরিবারের জন্য নিয়মিত কেনা কঠিন হয়ে পড়েছে। বিক্রেতাদের মতে, উৎপাদন খরচ, মাছের খাদ্যের মূল্য, পরিবহন ব্যয় এবং বাজার পরিস্থিতির কারণে দাম বেড়েছে।
ক্রেতাদের অভিযোগ, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের পাশাপাশি মাছের দামও বাড়তে থাকায় সংসারের খরচ সামলানো কঠিন হয়ে উঠছে। অনেকেই বলছেন, আগে যে টাকায় এক সপ্তাহের মাছ কেনা যেত, এখন সেই টাকায় কয়েক দিনের বেশি চলে না।
অন্যদিকে ব্যবসায়ীদের দাবি, তারা ইচ্ছাকৃতভাবে দাম বাড়াচ্ছেন না। খামার থেকে শুরু করে পাইকারি বাজার পর্যন্ত প্রতিটি ধাপে খরচ বেড়ে যাওয়ায় খুচরা বাজারেও এর প্রভাব পড়ছে।
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, বাজারে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে উৎপাদন ও সরবরাহ ব্যবস্থার উন্নয়নের পাশাপাশি কার্যকর বাজার তদারকি জরুরি। এতে ভোক্তা ও উৎপাদক—উভয় পক্ষই উপকৃত হতে পারবেন।