সিংগাইরে স্কুলছাত্রী মাহিয়া হত্যা মামলায় নতুন মোড়, মূল আসামি গ্রেপ্তারের দাবি
মানিকগঞ্জের সিংগাইর উপজেলার সাহরাইল উচ্চ বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী মাহিয়া আক্তার মাহি (১৪) হত্যা মামলার তদন্তে নতুন তথ্য সামনে এসেছে বলে জানা গেছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সূত্র দাবি করছে, মামলার মূল আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যের কারণ উদঘাটনে তদন্তে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হয়েছে।
তদন্তসংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাতে জানা যায়, র্যাব ও সিংগাইর থানা পুলিশের যৌথ অভিযানে মামলার প্রধান সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে। তবে তদন্তের স্বার্থে এবং আইনি প্রক্রিয়া চলমান থাকায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ আনুষ্ঠানিকভাবে বিস্তারিত পরিচয় প্রকাশ করেনি।
সূত্রগুলো আরও দাবি করছে, নিহত কিশোরীকে তার ব্যক্তিগত ছবি ও অন্যান্য বিষয় প্রকাশের ভয় দেখিয়ে মানসিক চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছিল। ঘটনার দিন তাকে নির্জন স্থানে ডেকে নেওয়া হয় এবং সেখানে হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয় বলে তদন্তে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। এ বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী প্রয়োজনীয় তথ্য-উপাত্ত যাচাই করছে।
সিংগাইর থানার সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, মামলাটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে এবং হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত সকলকে আইনের আওতায় আনার চেষ্টা চলছে। পাশাপাশি ডিজিটাল মাধ্যমে হয়রানি বা ব্ল্যাকমেইলের অভিযোগও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
এদিকে হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় এলাকায় শোক ও ক্ষোভ বিরাজ করছে। স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত তদন্ত সম্পন্ন করে প্রকৃত দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
মানিকগঞ্জে সিংগার প্রথমে ধ/র্ষ/ণ! ধ/র্ষ/ণের পর দুই টুকরো করে ফেলা,এ/সি/ড দিয়ে মুখ পুড়িয়ে ফেলা, আমরা কোন দেশে বসবাস করছি?
মানিকগঞ্জের সিংগাইর উপজেলার ৮ম শ্রেণীর ছাত্রী মাহিয়া বয়স ১৩ থেকে ১৪ বছর, গত ১৫ জুন থেকে নিখোঁজ ছিল।২২ জুন ওর বিকৃত লা/শ পাওয়া গিয়েছে চন্দননগর কবরস্থানের পাশে।
প্রথমে মেয়েটিকে ধ/র্ষ/ণ করা হয়েছে। ধ/র্ষ/ণের পর মেয়েটিকে দুই টুকরা করা হয়েছে। মাথার অংশটা এ*সিন্ড দিয়ে পুরোপুরি ধ্বং/স করে দেওয়া হয়েছে।