১৫ জুলাই রাতে উপজেলার ঝুনাগাছ চাপানি ইউনিয়নের মুনাকাশা কাকড়া চৌপতি জামে মসজিদ থেকে ওই যুবকের ম/র/দেহ উদ্ধার করা হয়। নিহত আবদুল মালেক ওই এলাকার মুনাকাশা গ্রামের নুরুল হকের ছেলে। বিয়ের মাত্র ১ দিনের মাথায় মসজিদের ভেতর গলায় ফাঁ’স দিয়ে আ/ত্ম/হ/ত্যা করেছেন ২৫ বছরের আবদুল মালেক। এদিকে ভাগনের ঝুলন্ত ম’র’দেহ দেখতে গিয়ে শোক সইতে না পেরে মৃ/ত্যু/র কোলে ঢলে পড়েছেন তাঁর মামা আহিদুল ইসলাম। মর্মান্তিক এই জোড়া মৃ/ত্যু/র ঘটনায় এলাকায় গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে। পুলিশ ও স্থানীয় লোকজনের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, গত মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই আবদুল মালেকের বিয়ে হয়। বিয়ের পরদিন বুধবার মধ্যরাতে স্থানীয় মুসল্লিরা মসজিদের ভেতরের ছাদের কাঠামোর সঙ্গে তাঁকে গলায় রশি দিয়ে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান। খবর পেয়ে ডিমলা থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করে। ভাগনের এমন অস্বাভাবিক মৃত্যুর খবর শুনে ছুটে এসেছিলেন মামা আহিদুল ইসলাম। কিন্তু মসজিদে ভাগনের ঝুলন্ত নি/থ/র দেহ দেখার পরপরই তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন। মুমূর্ষু অবস্থায় তাঁকে উদ্ধার করে জলঢাকা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়ার পথেই তিনি মা/রা যান। বিয়ের মাত্র একদিনের মধ্যে এমন কী ঘটেছিল? তিনি কি কোনো মানসিক সংকটে ভুগছিলেন? নাকি অন্য কোনো কারণ রয়েছে, যা তদন্তে সামনে আসবে? উত্তর মিলবে তদন্ত শেষে ততক্ষণ পর্যন্ত সহমর্মিতা দেখানোই সবচেয়ে দায়িত্বশীল আচরণ। আল্লাহ যেন নি/হ/ত দুজনকে ক্ষমা করেন এবং শোকাহত পরিবারকে এই কঠিন সময়ে ধৈর্য ধারণের তাওফিক দান করেন। ঘটনাটি ঘটেছে নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার ঝুনাগাছ চাপানি ইউনিয়নের মুনাকাশা কাকড়া চৌপতি গ্রামে।