বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ গোলের রেকর্ড এমবাপ্পের . বিস্তারিত কমেন্টে

বিশ্বকাপের তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে প্রথমার্ধে চার গোল হজম করে ফ্রান্স।


তবে বিরতি থেকে ফিরেই ইংল্যান্ডের জালে তিনবার বল পাঠায় ফ্রান্স। যার মধ্যে এমবাপ্পে করেন জোড়া গোল। চলতি বিশ্বকাপেও সর্বোচ্চ ১০ গোল করলেন এমবাপ্পে।

 
মায়ামিতে ম্যাচের ২ মিনিট ৪০ সেকেন্ডে মাঝমাঠ থেকে বল কেড়ে বেশ খানিকটা দৌড়ে বক্সের বাইরে থেকে নেয়া দারুণ শটে গোল করেন ডেক্লান রাইস। ১৮ মিনিটে এজরি কনসার হেডের জবাব ছিল না ফ্রান্সের কাছে।

রাইসের ক্রস থেকে হেডে গোলটি করেন কনসা। ৩৭ মিনিটে ইংল্যান্ডের হয়ে ‍তৃতীয় গোলটি করেন বুকায়ো সাকা। বাঁ পায়ের শটে গোল করেন তিনি। প্রথমার্ধে যোগ করা (৪৫+১) সময়ে কনসার পাস থেকে বাঁ পায়ের শটে সাকা দ্বিতীয় গোল করেন। প্রথমার্ধেই ৪-০ গোলে পিছিয়ে বিরতিতে যায় ফ্রান্স।
 
তবে বিরতি থেকে ফিরেই ঘুরে দাঁড়ায় ফরাসিরা। মাইকেল ওলিসের পাস থেকে বাঁ পায়ের শটে গোল করেন কিলিয়ান এমবাপ্পে। ৫৪ মিনিটে এমবাপ্পের পাস থেকে দ্বিতীয় গোলটি বারকোলার। প্রথম ৯ মিনিটের মধ্যেই দুই গোল করে ফ্রান্স। আর ওলিসের পাস থেকে ৬৬ মিনিটে নিজের দ্বিতীয় গোল এবং বিশ্বকাপের ইতিহাসে সর্বোচ্চ গোলের রেকর্ড করেন এমবাপ্পে।
 
ম্যাচের ৮৪ মিনিটে পেনাল্টি পায় ইংল্যান্ড। জেড স্পেনসকে বক্সে ফাউল করেছেন ফরাসি ডিফেন্ডার মাতো গাস্তো। জুড বেলিংহাম বুকায়ো সাকাকে হ্যাটট্রিকের সুযোগ করে দেন। পেনাল্টি শট নিতে বল তুলে দেন তার হাতে। স্পটকিক থেকে ৮৭ মিনিটে গোল করে হ্যাটট্রিক করেন সাকা।

অন্যদিকে যোগ করা (৯০+৬) সময়ে কাট ইন করে বক্সে ঢুকে বাঁ পায়ের শটে গোল করেন দেম্বেলে। অনেকেই হয়তে ভেবেছিলেন ম্যাচে সমতা ফেরাবে ফ্রান্স। তবে ম্যাচের একদম শেষ মুহূর্তে মাঝমাঠ থেকে বল টেনে নিয়ে বক্সে ঢুকে গোল করেন বেলিংহাম।

বিশ্বকাপে সবচেয়ে কম গুরুত্বের ম্যাচটিতে ১০ গোলের থ্রিলার দেখল দর্শক।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *