মেসিকে টপকে সর্বোচ্চ গোল হাঁটুর বয়সী এমবাপ্পের। স্পেনের কাছে বিশ্বকাপ তো পাবেই না, মেসির গোল্ডেন বুটটাও আজ হাতছাড়া হলো। লাভ ইউ বাপ্পি। পর পর দুই বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ গোলে গোল্ডেন বুট জয়ের পথে এমবাপ্পে। বিশ্বকাপে হারলেও মন জয় করে ফেলেছো.. ছোট দলগুলোর সাথে বিতর্কিত ম্যাচ খেলে মেসির গোল এখন ৮ টা। আর বড় বড় দলের সাথে খেলে ও আজ জোড়া গোলে তরুণ এমবাপ্পের হলো ১০ টা। দুই গোল বেশি। গোল্ডেন বুট পেতে মেসিকে ফাইনালে করতে হবে তিন গোল, যা প্রায় অসম্ভব। কারণ পুরো বিশ্বকাপ জুড়ে উরুগুয়ে, পর্তুগাল, বেলজিয়াম ও ফ্রান্সসহ ৭ দলের কাছে লামিনদের স্পেন হজম করেছে মাত্র এক গোল। কাপ তো পাবেই না, গোল্ডেন বুটের স্বপ্নেরও ইতি ঘটলো মেসির। গত বিতর্কিত বিশ্বকাপে গোল্ডেন বল পেলেও বুট পায়নি। একজন খেলোয়াড়ের নিজস্ব বড় অর্জন বলতে এই গোল্ডেন বুটই। বর্তমান প্রজন্মের দুর্দান্ত এমবাপ্পেকে নিয়ে আর কি বলবো। এই বয়সেই তার বিষ্ময়কর অর্জন।দেখুন। ৬ বিশ্বকাপে ৩২ ম্যাচে মেসির এখন ২১ গোল। আর ৩ বিশ্বকাপে মাত্র ২২ ম্যাচ খেলে এমবাপ্পের গোল ২২ টি। কি অবিশ্বাস্য! এছাড়া মাত্র ১৯ বছর বয়সেই এমবাপ্পে ২০১৮ সালে জিতেছেন একটি বিশ্বকাপ ট্রফি ও দুইটি লীগ ট্রফি। নির্বাচিত হন বিশ্বকাপের সেরা তরুণ খেলোয়াড়। যে বিশ্বকাপ মেসি জেতেন ক্যারিয়ারের শেষ সময়ে। আর ২০২২ সর্বোচ্চ গোল দিয়ে মেসিকে হারিয়ে বাপ্পি জেতেন গোল্ডেন বুট। মেসি ও এমবাপ্পের তুলনা করলে ১৯ বছর বয়সে এমবাপ্পের ছিল ৭২ গোল এবং ৪৫ অ্যাসিস্ট। যেখানে এই বয়সে মেসির ছিল ১৯ গোল এবং ৪টি অ্যাসিস্ট। ৩৯ বছর বয়সী মেসির অনেক অর্জন আছে সত্য। ব্যালন ডিআরে পিছিয়ে এমবাপ্পে। তবে ব্যালন ডিআরেও পেছনে থাকবে না তরুণ বয়সেই এমবাপ্পের সর্বোচ্চ গোলের রেকর্ড। আগামী ফুটবল বিশ্বের নেতৃত্ব দিবে এই এমবাপ্পে-ভিনি-লামিনরাই। বিদায় তরুণ মহাতারকা এমবাপ্পে। গোল্ডেন বুট নেয়ার দিন দেখা হবে আবার..